পোস্টগুলি

দরকার

ছবি
 নুদরত ফিজা দরকার শেষ, কাজ   শেষ' মানুষের সঙ্গে আলাপ ও শেষ। পৃথিবী টাই এইরকম।  বোকা হয়ে আবার ভাবছি বোকা হওয়া এবার মনে হয় শেষ  ।   কাজ নেই যখন আমি ও নেই তখন, কাজ দরকার আসবে যখন আমায় মনে পড়বে তখন।   আবার বোকা হয়ে যাব, একটু হেসে আবার নেব; কাজ যখন আসবে ঠিক তখন নিশ্চই   ডাকবে। সব যখন পূরণ হবে হাসি মুখে বিদায় দেবে।   ক্ষণিকের আনন্দে আত্মহারা মন হয়ে যায় বেপরোয়া; আহা,   সবাই কত আমায় ভালোবাসে- সর্বহারা করার আগে।   মুখ থুবড়ে পড়লাম যখন বাবা হাত ধরে তুললো তখন, বললো মৃদু হেসে  ' মা কি হলো আমি তো আছি তোর কাছে সর্বক্ষণ'। *প্রাক্তন ছাত্রী, ২০২২

সময়

ছবি
 নুদরত ফিজা সময় চলে নিজের মতন তোয়াক্কা করে না আমরা বরং খাপখাওয়াই নিজেকে সময় এর দাসের মতন।   অনেক কথাই মনে পরে অনেক স্মৃতি   জুড়িয়ে যায়  আগের সময় ফিরে এলে রাখতাম তাকে আগলে ধরে।   মনে হচ্ছে অনেক সময় চলে গেছে পার করে তখন তাকে মূল্য দিনই তাই বুঝি সে রাগ করে।    সেও গেছে পর করে সেই অনেক দূর দুরন্তে  যেখানে সে ভালো থাকবে তাই আমিও রাখিনি তাকে আপন করে।   জোর করে কি সব জেতা যায় এই জীবনে নাহয়   হেরেই গেলাম  অপেক্ষা করে মন তবুও মন কে তাই আশ্বাস দিলাম।   বোকা মন শোনেনা বারণ এখনো ভাবে সবাই কে আপন আরে ধুর পাগল তুই বোকা অনেক এই জীবনে কেউ নেই আপন। *প্রাক্তন ছাত্রী, ২০২২

জীবন ধারা

ছবি
সঙ্গীতা সেন   ধূসর ওই তটের পরে , শঙ্খ ঝিনুক আঁকে বাঁকে।      মাথার পরে কৃষ্ণঘন ঝরায় বারি শিশিরসম। ক্লান্তক্লেশে স্তব্ধ পথিক, দৃষ্টি মেলে নীলের পর। ছোট্ট খেয়া উজান বায় , তীরের পথিক ভাসতে চায়। হিয়ার মাঝির পরানখানি ছুঁইছে তটের পাথরখানি। শ্রান্ত পথিক বাইতে যায় ,   নাইকো তার কোথাও ঠায়। দুই পরানের মহামিলন তটের রেখায় আত্মকথন , সাগরতীরের শুভ্রচাদর মেলায় স্মৃতি জীবনভর।। *ছাত্রী, ২০১৩

গোধূলি

ছবি
  মন্দিরা রায়   আগুন রঙা মেঘের ভেতর পুড়ছে হৃদয় কার ? যন্ত্রনা আর হাহাকার এর নিশ্চুপ চিৎকার।  যাওয়ার বেলায় এ রাঙা রং ছড়িয়ে দিয়ে বুকে , বলতে কি চাও ! সন্ধ্যে আঁধার নিয়ে একাকার থাকবো আমি সুখে !   রাঙা আগুন বুকে নিয়েই হাসবো জয়ের হাসি , যতই ভরুক আকাশ জুড়ে কালো মেঘের রাশি।   রাঙা মেঘের রাঙা আলোয় নব বধূর সাজে , অপরূপা মিষ্টি মধুর হাসি ঝরে লাজে। কার বুকেতে আগুন দিয়ে যাচ্ছো তুমি বঁধু ? নাকি , তোমার বুকেও চিতার আগুন , হাসছো মুখে শুধু !   গনগনে রং ছড়িয়ে যেথায় ওই আকাশের বুকে , দুঃখরা সব পুড়ে পুড়ে সেথায় থাকে সুখে।

যা হারিয়ে যায়....

ছবি
  কস্তুরী   দাশ জীর্ণতার একশেষ। দিনের আলো , রাতের আঁধার , গোধূলির মায়া সবই , এই ভুবনের বাইরে। জানলা দরজাহীন এক নড়বড়ে পরিকাঠামো। যেকোনো মুহূর্তে নিজেকে উজাড় করে মাটিতে মিলিয়ে দিতে পারে সে। তবু , টিকে থাকার অদম্য বাসনায় , জীর্ণ শরীরেও রাজকীয় অহংকার মেখে তার অদৃশ্য জয় পতাকা , দূরের কোনো পথিক কে আহ্বান করে। একবার দেখে যাও , ছুঁয়ে যাও আমায় !.. কথা বলো , কাছে এসো .. খুঁজে নাও আমার অন্ধকারের অতলে ডুবে যাওয়া সেই সিঁড়ি। উঠে এসো সেই অলিন্দে , যেখানে   মহীরুহ নিজেদের   বিস্তৃতির ঘনঘটায় আছন্ন। তার ডালে ডালে পাখির বাসা , প্রজাপতিদের সংলাপ। নড়বড়ে থামের খাঁজে উঁকি দিচ্ছে শ্বেত আকন্দ , ধুতরো। দিনের আলোয় হাওয়াদের হাহাকার। পাল্লাহীন দরজা জানলার পরিসীমায় অনায়াস তাঁদের যাতায়াত। এ তো বাইরের দলিল। চোখের আলোয় যা উদ্ভাসিত। যা দেখা গেলোনা , তা যে অপরিসীম সত্য !.. গমগমে ভরা ভর্তি এক রাজকীয় প্রাসাদ। জমিদার , নায়েব , বরকন্দাজ , হাতি , ঘোড়া , বন্দুক , শিকার , আলোর রোশনাই , ঝাড়বাতির উজ্জ্বল অহংকা...

এঞ্জেলবার্গের তিনটি দিন

ছবি
মৌসুমী ব্যানার্জি হাইওয়ে দিয়ে দ্রুত গতিতে চলেছে আমাদের বাস , ২৪ জন ভারতীয় যাত্রীকে নিয়ে। সঙ্গে আছেন আমাদের ট্যুর গাইড। ভারতীয় একটি নামী ট্যুরিস্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনায় এই বেড়ানো। এই দলে আমরা ছাড়াও দুর্গাপুরের একটি বাঙালী পরিবারের তিনজন সদস্য আছেন। বাকিরা উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের। দলে দক্ষিণীরাই সংখ্যায় বেশী।   শুরু হয়েছে লণ্ডনের হিথরো এয়ারপোর্ট থেকে। গত দশদিনে লণ্ডন , সেখান থেকে বিশ্বের দ্রুততম ইউরো স্টারে চড়ে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে প্যারিস , প্যারিস থেকে ব্রাসেলস হয়ে আমস্টারডাম ঘুরে , জার্মানির কোলন ক্যাথিড্রাল দেখে এক রাতের ঠিকানা হয়েছিল ম্যানহেম।   ইউরো স্টারে প্যারিস পৌঁছতেই সাদা ধবধবে রঙের , বড় বড় কাচ আঁটা জানলার মার্সিডিজ বেনজ্ - র এয়ারকণ্ডিশন্ড বাসটি আমাদের সারাদিনের আশ্রয় হয়ে উঠেছিল। ও দেশের নিয়ম অনুযায়ী বাসের বাঁদিকে স্টিয়ারিং হাতে বসে আছে স্বাস্থ্যবান , লাজুক যুবক , ড্যানিয়েল – লিথুয়ানিয়ার বাসিন্দা সে। বাসের পেট ভর্তি আমাদের যথা সর্...