পোস্টগুলি

মৌসুমী ব্যানার্জি লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সবুজ মেখলিগঞ্জ ও আন্তর্জাতিক সীমানা

ছবি
মৌসুমী ব্যানার্জী  রাত ১০.০৫ এ ট্রেন সময় মতোই ছাড়ল। দার্জিলিং মেল। ট্রেনে উঠে জিনিসপত্র গোছগাছ করে নিজের বিছানা পেতে শুয়ে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই রাতের ট্রেনে এই কাজটি আমার বেশ লাগে। আমাদের গন্তব্য শেষ স্টেশন, হলদিবাড়ী।  পরদিন ভোরে ঘুম ভাঙল। ট্রেন তখন কিষেণগঞ্জ ছাড়ছে। জুলাই মাসের শেষের দিক। জানলার বাইরে সবুজ আর সবুজ। দিগন্তে মেঘলা আকাশে এই সবুজ মিশে গিয়েছে।  আকাশে মেঘের স্তর– নানা রঙের বাহার এক এক স্তরে। এরই মধ্যে নতুন দিনের শুরুর আভাস। নরম কমলা রঙ প্রকৃতির অঙ্গ জুড়ে। ক্ষেতের জমা জলে ছড়িয়ে পড়েছে নরম কমলা রঙ। মেঘের ফাঁক দিয়ে সূয্যিমামা দেখা দিলেন। কি অপরূপ রূপে তখন প্রকৃতি!  জানলার কাঁচের ভিতর থেকেই ছবি নেওয়ার চেষ্টা করলাম।                           আমার গন্তব্য মেখলিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম। আরও অনেকের মতোই  এই শাখার অধ্যক্ষ মহারাজের কাছ থেকে ডাক পেয়েছিলাম সেই অতিমারীর শেষের সময়কালে। সবুজ খোলামেলা প্রকৃতি, তিস্তা নদী, আকাশ পরিষ্কার থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখাও পাওয়া যায়  – জেনে ...

এঞ্জেলবার্গের তিনটি দিন

ছবি
মৌসুমী ব্যানার্জি হাইওয়ে দিয়ে দ্রুত গতিতে চলেছে আমাদের বাস , ২৪ জন ভারতীয় যাত্রীকে নিয়ে। সঙ্গে আছেন আমাদের ট্যুর গাইড। ভারতীয় একটি নামী ট্যুরিস্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনায় এই বেড়ানো। এই দলে আমরা ছাড়াও দুর্গাপুরের একটি বাঙালী পরিবারের তিনজন সদস্য আছেন। বাকিরা উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের। দলে দক্ষিণীরাই সংখ্যায় বেশী।   শুরু হয়েছে লণ্ডনের হিথরো এয়ারপোর্ট থেকে। গত দশদিনে লণ্ডন , সেখান থেকে বিশ্বের দ্রুততম ইউরো স্টারে চড়ে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে প্যারিস , প্যারিস থেকে ব্রাসেলস হয়ে আমস্টারডাম ঘুরে , জার্মানির কোলন ক্যাথিড্রাল দেখে এক রাতের ঠিকানা হয়েছিল ম্যানহেম।   ইউরো স্টারে প্যারিস পৌঁছতেই সাদা ধবধবে রঙের , বড় বড় কাচ আঁটা জানলার মার্সিডিজ বেনজ্ - র এয়ারকণ্ডিশন্ড বাসটি আমাদের সারাদিনের আশ্রয় হয়ে উঠেছিল। ও দেশের নিয়ম অনুযায়ী বাসের বাঁদিকে স্টিয়ারিং হাতে বসে আছে স্বাস্থ্যবান , লাজুক যুবক , ড্যানিয়েল – লিথুয়ানিয়ার বাসিন্দা সে। বাসের পেট ভর্তি আমাদের যথা সর্...