সবুজ মেখলিগঞ্জ ও আন্তর্জাতিক সীমানা
মৌসুমী ব্যানার্জী রাত ১০.০৫ এ ট্রেন সময় মতোই ছাড়ল। দার্জিলিং মেল। ট্রেনে উঠে জিনিসপত্র গোছগাছ করে নিজের বিছানা পেতে শুয়ে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই রাতের ট্রেনে এই কাজটি আমার বেশ লাগে। আমাদের গন্তব্য শেষ স্টেশন, হলদিবাড়ী। পরদিন ভোরে ঘুম ভাঙল। ট্রেন তখন কিষেণগঞ্জ ছাড়ছে। জুলাই মাসের শেষের দিক। জানলার বাইরে সবুজ আর সবুজ। দিগন্তে মেঘলা আকাশে এই সবুজ মিশে গিয়েছে। আকাশে মেঘের স্তর– নানা রঙের বাহার এক এক স্তরে। এরই মধ্যে নতুন দিনের শুরুর আভাস। নরম কমলা রঙ প্রকৃতির অঙ্গ জুড়ে। ক্ষেতের জমা জলে ছড়িয়ে পড়েছে নরম কমলা রঙ। মেঘের ফাঁক দিয়ে সূয্যিমামা দেখা দিলেন। কি অপরূপ রূপে তখন প্রকৃতি! জানলার কাঁচের ভিতর থেকেই ছবি নেওয়ার চেষ্টা করলাম। আমার গন্তব্য মেখলিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম। আরও অনেকের মতোই এই শাখার অধ্যক্ষ মহারাজের কাছ থেকে ডাক পেয়েছিলাম সেই অতিমারীর শেষের সময়কালে। সবুজ খোলামেলা প্রকৃতি, তিস্তা নদী, আকাশ পরিষ্কার থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখাও পাওয়া যায় – জেনে ...