পোস্টগুলি

পড়ার ফাঁদে

১৯/১০/২০১৭ শ্রীপর্ণা বিশ্বাস * ভূগোল বড়োই জট পাকানো         বড্ড চাপের বিষয় , তবুও তাতেই অনার্স নিলাম         দেখি এবার কি হয় ! ফার্স্ট ইয়ার এর 'tectonic'       আর 'morphology'- র জ্বালায় বই খুললেই বিদ্যে আমার         জানলা দিয়ে পালায় । 'Hydrology', 'oceanography'   তাও কিছুটা সোজা , সত্যি বলতে ভূগোল নিয়ে        পড়াশোনাটাই বোঝা । সেকেন্ড ইয়ার আরোই সোজা      ভেবে নিজের মতো , 'Soil-bio' র সাথেই আমার       ভাব জমালাম যতো । তারপরে সেই ভাব ভাঙতে       'Social' এলো মাঝে , বুঝেই নিলাম ভূগোল বিষয়       ভীষণ আজেবাজে । থার্ড ইয়ারে উঠেই আমার        চিন্তা শুরু যতো , 'thought' টা ভীষণ কঠিন হলেও    চালিয়ে নেওয়ার মতো । 'Population', 'settlement',    ...

প্রাণহানিকর দুর্যোগ

ছবি
১৯/১০/২০১৭ পুষ্পিতা দত্ত* দুর্যোগ প্রকৃতির নিয়মে ঘটে থাকে। দুর্যোগ এমন এক ঘটনা যার প্রভাবে পৃথিবীর যে কোনো স্থান চোখের নিমেষে শেষ হয়ে যেতে পারে। আমাদের সমাজে বিজ্ঞান উন্নত হওয়ায় দুর্যোগের গতিবিধি আমরা জানতে পারি কিন্তু তা আটকানোর কোনো ব্যাবস্থাই মানুষ করতে পারেনি আজও। এরকম দুর্যোগে বিপুল ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কয়েকটি স্থান হল- কেরালা, উত্তরাখণ্ড, জাপান ও ওড়িষা। এছাড়াও অনেক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন দুর্যোগে।  এরপর ১৯৯৯ সালে অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড়সহ বৃষ্টি হয় ওড়িশায়। উত্তাল হয় সমুদ্র, প্রায় ঘণ্টায় ২৬০ কিমি বেগে ধেয়ে আসে ঝড়। চোখের পলকে ধ্বংস হয় যায় সমস্ত কিছু। ভারতের সাথে সাথে বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড প্রভৃতি স্থানেও প্রচুর ক্ষয় ক্ষতি হয়।  ২০১১ সালে সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে নিমেষের মধ্যে নেমে আসে ঘূর্ণিঝড় টাইফুন যার জেরে আক্রান্ত হয় জাপান ও রাশিয়া। ১৫৫ কিমি / ঘণ্টা বেগে ঝড় বইতে থাকে। কত মানুষ মারা যায়, ধ্বংস হয়ে যায় পুরো স্থান। ২০,০০০ মানুষ মারা যায়।  ওড়িশার সাইক্লোন এরপর ২০১৩ সালের জুন মাসে বন্যায় প্লাবিত হয় উত্তরাখণ্ড।এক...

আয়লা বিপর্যয়

ছবি
১৯/১০/২০১৭ তিথি মৃধা * দ্বিতীয় ভারতীয় গ্রীষ্মপ্রধান ঘূর্ণিঝড় দ্বারা উত্তর ভারতের বহু মানুষ আক্রান্ত হন 2009 সালে। এই ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয় বঙ্গোপসাগরের উপকূলে। অপেক্ষাকৃতভাবে এই ঘূর্ণিঝড়টি ছিল ব্যাপক শক্তিশালী। কলকাতা থেকে 950 কিলোমিটার দূরত্বে দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার অন্তর্ভুক্ত সুন্দরবন এলাকায় এটি সৃষ্টি হয় মৌসুমী বায়ুর আগমনের ফলে। এই ঘূর্ণিঝড়টির ফলে প্রবল ঝড় ও বন‍্যা হয় এবং সমুদ্রের জল পানীয় জলের সঙ্গে মিশ্রিত হওয়ায় পানীয় জল দূষিত হয়ে ওঠে। এর ফলে পুকুরে চাষ করা মাছের মৃত্যু হয়। পানীয় জল সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত নলকূপ এবং কুয়ো গুলিতে ঝড় বৃষ্টির ফলে মাটি কাদা ইত্যাদি জমা হয়ে জল সরবরাহের স্থানগুলি বন্ধ হয়ে যায়। জনসাধারণের ব্যবহৃত শৌচালয় গুলিতে বন্যার জল প্রবেশ করায় ওখানকার নোংরা আবর্জনা জলের সাথে মিশ্রিত হয়। নর্দমার নোংরা জল এবং পশুপাখির পচা গলা মৃতদেহ জলের সাথে মিশে সমস্ত জলাশয়কে দূষিত করে তোলে। যার ফলে লোকালয়ে কলেরা, জন্ডিস এর মত মারাত্মক রোগ ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি এলাকায়। বন্যার আবির্ভাবে সমস্ত জনসাধারণের ঘরবাড়ি জলের ধাক্কায় ভেঙে তলিয়ে যায় এরফলে ...

অযোধ্যা অভিজ্ঞতা

১৯/১০/২০১৭ তারা মণ্ডল * বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ , গ্রীষ্মের অধিক উষ্ণ বাতাস ও শীতের কনকনে শীতল হাওয়া এই প্রকৃতি আমার ভূমি । যদিও জন্মেছিলাম মহানগরীর ( আসানসোল ) মাটিতে । তবুও জন্মের পর থেকে এই প্রকৃতির বৈচিত্র্যের মধ্যে বড় হয়েছি । হ্যাঁ , আমি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জেলা পুরুলিয়ার কথা বলছি । খাড়া আর ৬৬৫ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন অযোধ্যা পাহাড় পুরুলিয়ার ভৌগলিক বৈচিত্র্যের মধ্যে অন্যতম । পাহাড়ি রাস্তা , বামনী ফলস , আপার ড্যাম , লোয়ার ড্যাম ও অনেক ছোট ছোট পাহাড় নিয়ে গঠিত অযোধ্যার ভূ প্রা কৃতিক দৃশ্য মানুষের মনকে স্বাভাবিকভাবে আকৃষ্ট করে তোলে । প্রথমবার অযোধ্যা গিয়েছিলাম ক্লাস নাইনে স্কুল থেকে সার্ভে করার জন্য । সিরকাবাদ ও বাগমুন্ডি পূর্ব পশ্চিমে অবস্থিত এই দুই রাস্তা দিয়ে অযোধ্যায় যাওয়া যায় । তিনটে বাস ভোর থেকে বৃষ্টির সাথে পাল্লা   দিয়ে অযোধ্যা যাত্রা শুরু করে এবং নির্দিষ্ট সময় মতো দুই বাস অযোধ্যায় পৌঁছে যায় । বেলা এগারোটা নাগাদ আমরা ভাবছি আমাদের তো দশটার...