পোস্টগুলি

ভিয়েতনামের গুহা অভিযান : একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা

ছবি
লেখক পরিচিতি  নীলাভিষেক মুখোপাধ্যায়  বহুজাতিক সংস্থা কর্মী  হামবার্গ, জার্মানি  

নদী বক্ষে নিরঞ্জন

ছবি
     আত্রেয়ী দাস   আজ বৃহস্পতিবার ২রা অক্টোবর ২০২৫ সালের বিজয়া দশমী। এই বছরের মতো দূর্গা পূজোর সমাপ্তি পর্ব। গতকাল রাত থেকেই মনে হচ্ছিল যেন আগামীকাল বিজয়া দশমী পর্বটা কোথাও একটা গঙ্গা বক্ষে বা নদী বক্ষে দেখতে গেলে খুব ভালো হতো। সেই কথা আমার মা কে বলেছিলাম উনি চুপ করে শুনে ছিলেন। হঠাৎই আজ সকালে মা বললেন তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নে। আমরা এখনি বেরোবো। কিন্তু কোথায় যাচ্ছি মা কে জিজ্ঞেস করতেই উনি বললেন, ‘কয়েক ঘণ্টা বাদে সব জানতে পারবি’। যথারীতি শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে উঠে আমরা পৌঁছে গেলাম উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে । ওখানে ইছামতী নদী বক্ষে অসাধারণ প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় সেটা শুনেছিলাম। আজ আমি প্রায় ১৫ বছর পর সেখানে গেলাম। নদী বক্ষের কাছেই অনেকদিনের একটি পুরানো স্থানে যেতে পেরে খুবই আনন্দ হচ্ছিল। সকাল থেকেই আমরা একটি বিখ্যাত জমিদার বাড়ি “পূবের রাজবাড়ী তেই “ রয়েছি। সমস্ত রকম সাবেকিয়ানার প্রথা মেনে এই বাড়িতে চলছে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি পর্ব। আমি দেখতে পাচ্ছি একদিকে অসাধারণ সুন্দর সাবেকিয়ানায় সাজানো মা দুর্গাকে, ঠিক তেমনি অন্যদিকে লাল পাড় হলুদ শাড়ি পরিহিতা মহিলা ঢ...

নীলচে রোদ্দুর..

ছবি
  -                        কস্তুরী দাশ সবুজ আস্তরণ পড়া জলে, সরের মতো ভাসছে সময়। নীলচে রোদ্দুরে ভেসে যাচ্ছে উঠোন আর গাছপালা ঘেরা সেই সবুজ বাড়িটা। সেই রোদ্দুরে ছিপ ফেলে বসে থাকে এক মেয়ে, ফেলে আসা সময়টার দিকে তাকিয়ে। যদি ধরা যায়..   ফিরবে না, সেকি ফিরবে না..   গ্রিলের ফাঁক দিয়ে আসা সেই নীলচে রোদ্দুরে স্মৃতির আঁকিবুকি..                      " আয়ে গা বোলে গা ".... বিকেল গড়ালেই তার আগমন। রোগা, লম্বাটে চেহারা, বাঁ হাতে একটা কাঁচের বয়াম তাতে চূড়ন ভর্তি। পকেটে রাখা ছোট ছোট কাগজের টুকরো, তাতে করেই হাতে হাতে চূড়ন দেওয়া। দাম ১০ পয়সা। ঠাকুমার পয়সা রাখার বই-কৌটো খুলে পয়সা নিয়েই ছুট। "আমাকে দাওনা ".. ততক্ষণে বন্ধুদের জটলা, ছোট ছোট হাত বাড়িয়ে সবাই। এক এক চামচ চূড়ন ওই সাদা কাগজের টুকরোতে এক বিশেষ কায়দায় মোড়া। নিমেষেই শেষ। লোকটা চলে যাচ্ছে.."আয়ে গা.. বোলে গা..." সুরে হেঁকে হেঁকে। ঢোলা প্যান্ট, ফরসা জামা। ধোপদুরস্ত। ...

বনেদি বাড়ির পুজো পরিক্রমা

ছবি
     স্নেহা দাস   ও-ও -ও আয় রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে। ঢ্যাম্ কুড়কুড়, ঢ্যাম্ কুড়াকুড় বাদ্যি বেজেছে। গাছে শিউলি ফুটেছে কালো ভোমরা জুটেছে। আজ পাল্লা দিয়ে আকাশে মেঘেরা ছুটেছে। ছোটবেলা থেকে এই গান শুনে বড়ো হয়েছি আজকালের নতুন প্রজন্ম হয়তো এসব আর শোনে না ।   পুজো মানে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব , উৎসব এর দিনে নতুন জামা পরে বাবা মায়ের সাথে ঠাকুর দেখা বাইরে খাওয়া দাও করা এটুকু নিয়ে ছিল আমাদের শৈশব ।              এখন বন্ধু বান্ধবীরাই পুজোয় ঠাকুর দেখতে যাই ।   আমি এই পুজোতে অনেক ঠাকুর দেখেছি , সব দিনগুলির মধ্যে আমার এবছরের ষষ্ঠীর দিনটি ছিল সব থেকে আলাদা । আমি আমার বান্ধবীদের সঙ্গে গিয়েছিলাম উত্তর কলকাতার বনেদি বাড়ির পুজো পরিক্রমা করতে । সকাল সকাল বেরিয়েছিলাম , হাতে ক্যামেরা আর মন ভরা উচ্ছ্বাস ! মেট্রোয় চেপে , হাসি - ঠাট্টায় ভরা গপ্পো করতে করতে আমরা নেমে পড়লাম গিরিশ পার্কে । কলকাতার পুরনো বনেদি বাড়িগুলোর সেই রাজকীয় সাবেকি সাজ ...